
একুশেনিউজ ডেস্ক::
গোলাপগঞ্জে ১লক্ষ টাকার চেক ৩০লক্ষ টাকা করে জালিয়াতির অভিযোগে নজমুল ইসলাম (৪৯) নামে এক ব্যক্তিকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। সোমবার (৩১মে) সিলেট চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে জামিন চাইতে গেলে জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট কাওছার আহমদ। আটককৃত নজমুল ইসলাম উপজেলার লক্ষিপাশা ইউপির ঘোঁষগাও এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে।
এরআগে চলতি বছরের ২৯মার্চ সিলেট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ হারুন- অর রশিদের আদালতে অভিযোগ দাখিল করেন উপজেলার বাঘা ইউপির জালালনগর এলাকার আমিনুল ইসলাম সাবু (২৫)। তিনি গোলাপগঞ্জ বাজারের সাবেক মহলদার মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ব্যবসায়িক কাজের জন্য আমিনুল ইসলাম সাবু অভিযুক্ত নজমুল ইসলামের কাছ থেকে ১লক্ষ টাকা ধার আনেন। এর বিপরীতে জামানত স্বরুপ আল আরাফাহ (রহ:) ব্যাংক লি: জিন্দাবাজার শাখার অনুকুলে এক লক্ষ টাকার একটি চেক প্রদান করেন ৩ জন বিশিষ্ট সালিশ ব্যক্তিদের নিয়ে। পরে আমিনুল ইসলাম তার পাওনা টাকা পরিশোধ করে চেক ফেরত চাইলে তিনি চেক ফেরত না দিয়ে ১ লক্ষ এর স্থলে ৩০লক্ষ লিখে ব্যাংক থেকে ডিজঅনার কপি সংগ্রহ করে আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ প্রদান করেন তিনি। পরে আমিনুল ইসলাম চেক ফেরতের জন্য পহেলা ফেব্রæয়ারী নজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে লিগ্যাল নোটিশ প্রেরণ করেন। এ বিষয়ে গণমান্য ও জনপ্রতিনিধিদের বিষয়টি অবহতি করলেও কোন সুরাহা না হওয়ায় চলতি বছরের ২৯মার্চ সিলেট সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট মোহাম্মদ হারুন-অর রশিদের আদালতে নজমুল ইসলামকে অভিযুক্ত করে অভিযোগ (সিআর-১৩০/২০২১) দাখিল করেন আমিনুল ইসলাম সাবু। পরে আদালতের আদেশের প্রেক্ষিতে গোলাপগঞ্জ মডেল থানায় মামলা রুজু করা হয়। (মামলা নং-০৭/০৩.০৫.২১)। দীর্ঘদিন পলাতক থাকার পর সোমবার জামিন চাইতে গেলে জামিন না দিয়ে নজমুল ইসলামকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন আদালত।
Editor: Shahin Ahmed & Sadrul Islam Lukman
Office: Hoque Super Market, 3rd Floor, Zindabazar, sylhet.
Email: ekusheynet.syl@gmail.com
Contact: 01739447302