
নিজস্ব প্রতিবেদক : সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম চপল নিহতের খবর পাওয়া যায়। স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা যায় দীর্ঘ দিন থেকে ক্ষমতার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মতিউর রহমান ও সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নুরুল হুদা মুকুট গ্রুপের মধ্যে ঝামেলা চলে আসছিল।
নিহতের চাচা সুনামগঞ্জ জেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি খায়রুল হুদা চপলের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমরা জেলা আওয়ামীলীগের রমিজ বিপনিস্থ অফিসে এক জরুরী সভার আয়োজন করি। সভা শেষে দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে একটি মিছিল বের করি। মিছিলটি পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে আসা মাত্র পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে মতিউর রহমান গ্রুপের নেতাকর্মীরা আমাদের উপর আক্রমণ চালায়।আমাদের গ্রুপের অনেক নেতাকর্মী আহত হয়। হঠাৎ দেখতে পাই আমার ভাতিজা জাহিদুল ইসলাম চপল মাটিতে পড়ে আছে এবং মাথা থেকে প্রচুর রক্ত বের হচ্ছে। সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট থানায় ফোন করি পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরক্ষণে আমার ভাতিজাকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে যাই। চিকিৎসারত অবস্থায় কিছু সময় পরে আমার ভাতিজা মৃত্যুবরন করে।
মতিউর গ্রুপের নেতা যুবায়ের আহমেদ, দীপু তালুকদার, বিপুল দাস,জসিম উদ্দিন, তন্ময় তালুকদার,এমরান আহমেদ, ইকবাল হোসেন, লিটন দাস, নোমান বখত, নির্মল দাস,হেলাল আহমেদ,ঝন্টু তালুকদার, পাপলু দাস সহ (১৩)তের জনের নাম উল্লেখ পূর্বক একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছি।
এব্যাপারে সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বললে তিনি জানান, পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে শহরে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। খায়রুল হুদা চপল বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে আমাদের সব ধরনের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।