
স্টাফ রিপোর্টার: সুনামগঞ্জ ছাতক থানার আন্দারি গাও গ্রামের ভাতিজার হাতে নির্যাতিত হয়েছেন শরীফুল নেছা (৫৫) নামের এক মহিলা, গুরুত্বর আহত অবস্থায় থাকে উদ্বার করে ছাতক স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ৩ এপ্রিল সোমবার বার দুপুর আনুমানিক ২ ঘটিকায় একই বাড়ির জাহিদুর আহমেদ জোরপূর্বক ভাবে ডাকে শরিফুল নেছাকে এবং সে জানতে চায় যে উনার মেয়েকে দেশে ফিরিয়ে এনে বিয়ে দিবে কি না তখন শরিফুন নেছা জানান উনার মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে এখন চাইলেও আবার বিয়ে দিতে পারবেন না, তখন জাহিদুর রাগে ক্ষিপ্ত হয়ে শরিফুন নেছার উপর দেশি অস্ত্র দিয়ে লাটি পেটা করে, এক পর্যায়ে শরিফুল নেছা মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
শরিফুল নেছার স্বামী জালাল উদ্দিন (৬০) জানান আমার মেয়ে সীমা বেগম যুক্তরাজ্য বসবাস করছে আমার মেয়ে যখন বাংলাদেশে লেখা পড়া করছিলো তখন থেকে আমার ভাতিজা জাহিদুর আমার মেয়েকে বিয়ে করতে চাইছিলো, আমরা বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় জাহিদুর আমাদের কে জাহিদ নানাভাবে হুমকি দেয় তখন তার ভয়ে আমাদের মেয়েকে তার সাথে বিয়ে দিতে রাজি হই কিন্তু আমার মেয়ে অন্য একজন ছেলেকে পছন্দ করার কারণে সে তার পছন্দ করা ছেলেকে বিয়ে করে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমায়।
তিনি আরো বলেন জাহিদুর আহমেদ আমার মেয়ের শ্বশুর বাড়িতে গিয়ে লোকজনদের হুমকি দিয়ে যাচ্ছে এবং আমার মেয়ের নামে আজেবাজে কথা বলছে শ্বশুরবাড়ি এলাকার লোকজনদের কাছে তিনি আরো বলেন জাহিদুর আহমেদ আমাদেরকে সার্বক্ষণ হুমকি দিয়ে যাচ্ছে যাতে করে আমরা আমাদের মেয়েকে দেশে এনে বিয়ে দেই তার সাথে সীমার বাবা জালাল উদ্দিন আরো বলেন জাহিদুর মাদকাসক্ত ক্ষমতাসীন তাই এর ভয়ে আমরা কাউকে কিছু বলতে পারি না গতকালকে আমি কাজের জন্য বাহিরে গিয়েছিলাম, সেসময় জাহিদুর আহমেদ আমার স্ত্রীকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে লাঠি পেটা করে আহত করে এবং পরবর্তীতে আমার স্ত্রীকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করি সে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এমতাঅবস্থায় আমরা আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছি থানায় অভিযোগ করছেন কিনা এই বিষয়ে জানতে চাইলে জালাল উদ্দিন বলেন উনি ছাতক থানায় গিয়েছিলেন অভিযোগের জন্য কিন্তু তারা কোন অভিযোগ গ্রহণ করেন নি বর্তমানে আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।
Editor: Shahin Ahmed & Sadrul Islam Lukman
Office: Hoque Super Market, 3rd Floor, Zindabazar, sylhet.
Email: ekusheynet.syl@gmail.com
Contact: 01739447302