
কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ১৯ জুলাই ২০২৪ কোটা আন্দোলনে রূপ নেয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানে। বাংলাদেশে ছাত্র জনতা, কৃষক, শ্রমিক সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ যখন রাজপথে গণঅভ্যুত্থানে অংশ গ্রহণ করে তখন স্বেরাচার শেখ হাসিনার পুলিশ ও র্যাব নির্মমভাবে গুলি চালিয়ে ছাত্র জনতা ও সাংবাদিকদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। এরই প্রতিবাদে ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পদত্যাগের দাবীতে বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল সহ অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে গত (২২ জুলাই ২০২৪) তারিখে যুক্তরাজ্যের লন্ডন ট্রাফালগার স্কয়ারে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, অবিলম্বে শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের জোর দাবি জানান। নতুবা ইউরোপসহ বিশে^র অন্যান্য সকল রাষ্টের বাংলাদেশী প্রবাসীদের সাথে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তুলা হবে। বাংলাদেশের নিরীহ ছাত্র জনতার প্রাণ রক্ষা করার জন্য বিশ্ব নেতাদের প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন, কেন্দ্রীয় বিএনপির আন্তর্জাতিক সম্পাদক এম মাহিদুর রহমান, আনোয়ার হোসেন খোকন, যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালিক, সাধারণ সম্পাদক কয়ছর এম আহমদ, জিয়া পরিষদ ইউকে-এর সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুর হাসান পল্টু, যুক্তরাজ্য যুবদলের সভাপতি রহিম উদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নাসির হোসেন শাহিন ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন, যুক্তরাজ্য জিয়া পরিষদের যুগ্ম সম্পাদক কাউছার মাহমুদ, সাংগঠনিক আব্দুল হাই মানিক, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আহসানুল আম্বিয়া শোভন, ফারহাত আহমেদ চৌধুরী, নন্দন কুমার দে, মো: অহিদুজ্জামান, ড. ফেরদৌসী বেগম, ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল জব্বার মিয়া, লন্ডন মহানগর জিয়া পরিষদের সভাপতি তানভির উর রশিদ, সাধারণ সম্পাদক আবু ছালেহ, মুকিবুর রহমান নিলয়, মহিউদ্দিন আহমেদ, আফতাব উদ্দিন আলভী, সালে হোসাইন, হৃদয় ঘোষ, নাইমুল ইসলাম রিফাত, মোছা: ইমা বেগম ফাহমিদ আহমেদ, মো: জালাল উদ্দিন, আবু জাহির প্রমুখ।
এছাড়াও নেতাকর্মীরা শেখ হাসিনা সরকার বিরোধী বিভিন্ন পোস্টার, প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার বহন করেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী খুনি শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেনে।