
স্টাফ রিপোর্টার : ছাত্রলীগের অস্ত্রধারী শীর্ষ সন্ত্রাসী, অস্ত্র সরবরাহকারী এবং জুলাই-আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের উপর হামলাকারী পলাতক ছাত্রলীগ নেতা আমির হামজাকে অতিদ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন আম্বরখানা এলাকার ছাত্র জনতা ও সর্বস্তরের জনগণ।
বৃহস্পতিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১টার দিকে আম্বরখানা এলাকার ছাত্রজনতা ও সর্বস্তরের জনগণের আয়োজনে সিলেট নগরীর আম্বরখানা পয়েন্টে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জানান, ছাত্রলীগের এই পলাতক নেতা আমির হামজা রাজনীতির নামে অস্ত্র মজুদ করে যেসব সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়েছে, বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনরত সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর পৈশাচিক আক্রমণ করেছে কিন্তু প্রশাসন তাকে এখনো খুজে বের করেনি তারা আরো বলেন প্রশাসন কর্তৃক আমির হামজাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করে তার বিরুদ্ধে যেন দ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
মানববন্ধনের আয়োজনকারী এক শিক্ষার্থী আলী হোসেন কায়েস বলেন, জুলাই বিপ্লবে ছাত্রলীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসী আমির হামজাকে দ্রুত খুজে বের করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। এছাড়াও তার নেতৃত্বে তার সাঙ্গপাঙ্গ যারা সে সময় আম্বরখানা এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলো তাদেরকেও দ্রুত গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর গুলি করার যে বা যারা অনুমতি দিয়েছিল, তাদেরও বিচারের আওতায় আনতে হবে। জুলাই-আগষ্ট আন্দোলনে পুলিশ ও ছাত্রলীগ নেতা আমির হামজার গুলিতে আহত আব্দুল মতিন বলেন, জুলাই বিপ্লবকে প্রতিহত করার জন্য শেখ হাসিনার ফ্যাসিবাদ সরকারের পেটোয়া পুলিশ বাহিনী এবং ছাত্রলীগ নেতা আমির হামজা সহ যেই সকল কুলাঙ্গার আওয়ামী সন্ত্রাসীরা আমাদের উপর হামলা চালিয়ে আমাকে আহত করেছিলো তাদের কিছু নেতাকর্মীরা এখন প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এখন পর্যন্ত প্রশাসন তাদের বিচারের আওতায় আনতে পারেনি।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জুবায়ের আহমদ শ্রাবণ বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে যে ধরনের অস্ত্র পাওয়া গেছে, সেগুলো নিশ্চয়ই সাধারণ ছাত্রদের উপর নির্যাতনের জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল। ছাত্রলীগ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের হলে হলে টর্চার সেল গঠন করেছিল। যারা হলের ভিতর টর্চার গঠন করেছিল এবং অস্ত্র মজুদ করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।