স্টাফ রিপোর্টার : সিলেট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সম্পাদক, যুক্তরাজ্য প্রবাসী হাফিজুর রহমান ইমন খানের বাড়িতে পুনরায় হামলা, ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। গত ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে সারা বাংলাদেশে বিএনপি, জামায়াত, এন সি পি ও অন্যান্য দল স্বতঃস্ফূর্তভাবে শহীদ দিবস টি পালন করে। কিন্তু বিএনপি নেতা কর্মীরা আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গসংগঠনের নেতা কর্মীদের এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে দেয় নাই। তারা দেশের বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ঠিক একই দিনে ছাত্রলীগ নেতা হাফিজুর রহমান ইমন খানের বাড়িতে হামলা, ভাংচুরের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ৫ আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকার পদত্যাগের পর পরই স্থানীয় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীরা বেপরোয়া হয়ে উঠে । দেশে শুরু হয় নির্মম অত্যাচার, নির্যাতন, গুম, হত্যা, ডাকাতি, ধর্ষন ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পায়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ই আগস্ট বিএনপি'র নেতাকর্মীরা হাফিজুর রহমান ইমন খানের বাড়িতে অতর্কিত হামলা ভাংচুর লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ চালায়। এতে তার ও তার পরিবারের অনেক ক্ষয়ক্ষতি হয়। এতটুকু ক্ষয়ক্ষতি করার পর ও থেমে থাকেনি বিএনপি নেতা কর্মীরা। তার একমাত্র কারণ হলো যুক্তরাজ্য প্রবাসী হাফিজুর রহমান ইমন খান আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় থাকা। আর কিছুদিনের মধ্যে ক্ষয়ক্ষতি গুছিয়ে ওঠার আগেই আবার তার বাড়িতে হামলা করা হয়। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপি জয়লাভ করলে তারা বিজয় মিছিল সহকারে আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালায়। একই দিনে স্থানীয় বিএনপি'র নেতাকর্মীরা হাফিজুর রহমান ইমন খানের বাড়িতে গিয়ে বাসের লাঠি দিয়ে ভাঙচুর করে এবং ঘরের চালে ইটের টুকরো দিয়ে ঢিল মারে। এরপর থেকে কিছু কিছু বিএনপির নেতা কর্মীরা তার বাড়িতে এসে জোরে জোরে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে। গত ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ইং তারিখে আনুমানিক বিকাল ৪ ঘটিকার সময় ২০ থেকে ২৫ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোক এসে হাফিজুর রহমান ইমন খানের বাড়িতে ব্যাপক হামলা ও ভাঙচুর চালায়। এতে তাহার পরিবার বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে।
ঘটনার বিষয়ে হাফিজুর রহমান ইমন খানের বোন সানজিদা ইসলাম বলেন, বিএনপি'র ক্যাডারদের দ্বারা তার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর ও লুটপাট করা নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে গেছে। তার ভাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিল বলে এই করুন পরিণতি হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরো বলেন যে হাফিজুর রহমান ইমন খান যদি বাংলাদেশে আসে তাহলে তাকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দিয়ে গেছে বিএনপি'র নেতা কর্মীরা। বর্তমানে স্থানীয় বিএনপি ক্যাডারদের ভয়ে হাফিজুর রহমান ইমন খানের পরিবার চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগিতেছে এবং হাফিজুর রহমান ইমন খান যুক্তরাজ্য থেকেও শান্তিতে বসবাস করতে পারতেছে না।
এ বিষয়ে শাহপরান থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঘটনার বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
Editor: Shahin Ahmed & Sadrul Islam Lukman
Office: Hoque Super Market, 3rd Floor, Zindabazar, sylhet.
Email: ekusheynet.syl@gmail.com
Contact: 01739447302