
বালাগঞ্জ প্রতিনিধি : সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলার বাদে একাচিকন গ্রামে গত ১৮ মার্চ ২০২৬ইং তারিখে এক যুবককে ছুরিকাঘাত করে আহত করে শাহানারা বেগম নামের এক নারী
ঐ নারীর বড় ছেলে আফিকুর রহমান লিমনজানান, তাজপুর এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি আবদাল মিয়ার ছেলে রাফসান মিয়ার জন্য আমার বোন রোকসানা বেগমের বিয়ের প্রস্তাব দিলে আমার পিতা নুরুল ইসলাম তাহা গ্রহণ করেন, কিন্তু আমার বোন সে সময় লেখাপড়ার জন্য যুক্তরাজ্যে চলে যায় এবং সপ্তাহ খানেক পর আমার পিতা রোকসানাকে যখন বিয়ের বিষয়টি জানান। তখন আমার বোন বিয়ের প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যান করে এবং সে বলে তার পছন্দের কাউকে বিয়ে করবে আমার পিতা তখন রাগের বশে রোকসানা বেগমকে ত্যাজ্য ঘোষণা করেন।এই বিষয় গুলো যখন আবদাল মিয়াকে জানানো হয়। তখন তিনি অপমানিত বোধ করেন, আর ঠিক তখন থেকেই আবদাল মিয়া আমার পিতা এবং রোকসানাকে প্রানে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছেন।
বিষয়টি সমাধানের জন্যে আমরা তাজপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের সঙ্গে আলোচনা করি কিন্তু আবদাল মিয়া বিষয়টি সমাধানে অনাগ্রহ পোষণ করেন। আমার বোন রোকসানা বেগম তার পছন্দের পাত্রকে বিয়ে করে এবং তাদের এক কন্যা সন্তানের জন্ম হয় এই খবরটি কিভাবে যেন রাফসান মিয়া শুনতে পায় এর পর থেকে সে রাগে ক্ষোভে ফেটে পড়ে বারবার রোকসানা ও তার স্বামী সন্তানকে প্রাণনাশের হুমকি দেয়, গত বুধবার ১৮ মার্চ ২০২৬ রাফসান মিয়া ও তার দুই সহযোগী সহ সন্ধ্যায় আমার বাবার বাসায় গিয়ে ডাকাডাকি করলে আমার মা দরজা খুলেন রাফসান মিয়া রোকসানার ব্যাপারটি জিজ্ঞেস করে আমার মা যখন সংক্ষেপে বলতে লাগলেন তখনই সে গালাগালি শুরু করে এবং আমার মা কিছু বুঝে ওঠার আগেই তার কোমর থেকে একটি লম্বা ছুরি বের করে আমার মা কে আঘাত করে পালিয়ে যায়, তাৎক্ষণিক বাসার কাজের লোকের সাহায্যে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছেন এবং ডাক্তার জানিয়েছেন তিনি আশঙ্কামুক্ত আছেন।
কোনো পুলিশ রিপোর্ট বা মামলা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে লিমন জানান, দেখুন আবদাল মিয়া বালাগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান, প্রভাবশালী, ক্ষমতাবান ব্যক্তি তার ছেলেও তাজপুর ইউনিয়নের যুবদল নেতা এমন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা করার পুর্বে চিন্তা ভাবনা করা উচিত শেষে যদি আবারও কোনো বড় অঘটন ঘটানোর চেষ্টা করে। আমার মা সুস্থ হওয়ার পর সিদ্ধান্ত নেবেন তবে আমি গতকাল বালাগঞ্জ থানায় গিয়েছিলাম পুলিশকে বিস্তারিত জানিয়েছি তবে তারা মামলা নেয়নি আমাকে নানান অজুহাত দেখিয়ে বিদায় করে দিয়েছে।
Editor: Shahin Ahmed & Sadrul Islam Lukman
Office: Hoque Super Market, 3rd Floor, Zindabazar, sylhet.
Email: ekusheynet.syl@gmail.com
Contact: 01739447302