
বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি : বিয়ানীবাজার পৌরশহরের নিমতলায় আওয়ামী লীগের একদল ক্যাডারের হামলায় স্থানীয় এলডিপি নেতা মোঃ ময়নুল হক গুরুতর আহত হয়েছেন। ২১শে ফেব্রয়ারি রবিবার সন্ধ্যা ৫টার দিকে এই ঘটনাটি ঘটে। হামলায় আহত মোঃ ময়নুল হক স্থানীয় খশির নামনগর গ্রামের মোঃ রসিম উদ্দিনের পুত্র ও এলডিপি কুড়ারবাজার ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড শাখার সহ-প্রচার সম্পাদক হন। রাজনৈতিক পূর্ব বিরুধের জেরধরে এই ঘটনাটি ঘটেছে।
জানা যায়, মোঃ ময়নুল হক দীর্ঘদিন থেকে এলডিপির রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার সুবাধে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে তার বিরোধ সৃষ্টি হয়। সরকার দল আওয়ামী লীগের স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা জালাল মেম্বার, আওয়ামী লীগ ক্যাডার মানিক উদ্দিন ও কিরনসহ আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে সৃষ্ট বিরোধের জেরধরে ইতিপূর্বে তার উপর হুমকী ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার দিন ২১শে ফেব্রয়ারি আন্তজার্তিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে এলডিপির দলীয় কর্মসূচী শেষে বাড়ি ফিরছিলেন মোঃ ময়নুল হক। সন্ধ্যা ৫টার দিকে পৌরশহরের নিমতলায় যাওয়ার পর আওয়ামী লীগের জালাল মেম্বার, মানিক উদ্দিন ও কিরন সহ ৪/৫ জনের একটিদল তার পথরোধ করে। কোন কিছু বুঝে ওঠার আগেই তারা মোঃ ময়নুল হকের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে বেদড়ক কিল, লাথি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। লাঠির আঘাতে তার মাথা ফেটে রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হয়, হাত ও পিঠে গুরুতর আঘাত লাগে। প্রাণ বাঁচাতে সে চিৎকার করে এবং একপর্যায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। লোকজন আসতে দেখে তাকে অজ্ঞান মূমুর্ষ অবস্থায় ফেলে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরে লোকজন তাকে উদ্ধার করে বিয়ানীবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রেরণ করে।
এ বিষয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এলডিপি নেতা মোঃ ময়নুল হক বলেন, রাজনৈতিক পূর্ব বিরোধের জেরধরে আওয়ামী লীগের জালাল মেম্বার, মানিক উদ্দিন ও কিরনসহ ৪/৫ জনের একটিদল আমার উপর এই হামলা চালিয়েছে। তারা ইতিপূর্বে আরো একবার আমার উপর হামলা চালিয়েছিল। তারা আমাকে প্রাণে মেরে ফেলতে পরিকল্পিত ভাবে এই হামলা চালিয়েছে। লোকজন ছুটে আসায় আমি এই যাত্রায় প্রাণে রক্ষা পেয়েছি। এখন আমার জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে চরম আতংকের মধ্যে রয়েছি।