• ৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৯শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ১৫ই রমজান, ১৪৪৭ হিজরি

যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ জুনায়েদ এর বাড়িতে হয়রানী, হুমকি-ধামকি

admin
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
যুক্তরাজ্য প্রবাসী ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ জুনায়েদ এর বাড়িতে হয়রানী, হুমকি-ধামকি

স্টাফ রিপোর্টার: সিলেট মহানগর ছাত্রদল নেতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী জুনেদ আহমদ জুনায়েদের পরিবারকে হুমকি-ধামকি নানা ধরনের হয়রানী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা। গত ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ জুনায়েদের গ্রামের বাড়িতে এমন ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ জুনায়েদ। কিন্তু আওয়ামী সরকারর পতনের পর ছাত্রদল নেতা জুনেদ আহমদ জুনায়েদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিহিংসামূলক মামলা রয়েছে। তিনি দেশে আসলে গ্রেফতার হয়ে শারিরীক নির্যাতনের শিকার হবে। জুনায়েদ আহমদ বাড়িতে প্রতিনিয়ত স্থানীয় প্রভাবশালী বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা তল্লাশী পরিবারের সদস্যদের হুমকি-ধামকি দিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবহিকতায় বিগত ১৮ ফ্রেব্রুয়ারি ২০২৬ইং রাত অনুমান ০৮.৩০ ঘটিকার সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা সন্ত্রাসী রূপে জুনেদ আহমদ জুনায়েদের খুঁজে বাড়ীতে আসে। একপর্যায়ে নেতাকর্মীরা জোরে জোরে চিৎকার দিয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেওয়ার জন্য বলিতে থাকে। তাদের আক্রমনে পরিবারের সবাই ভয়ে কান্নাকাটি করিতে থাকে। তখন তার মাতা তাদেরকে বলেন, আমার ছেলে জুনায়েদ আহমদ বাড়িতে নয় যুক্তরাজ্য অবস্থান রয়েছে, এই কথা বলার সাথে সাথে তারা আরো উত্তেজিত হয়ে বাড়িঘরে তল্লাশীর নামে আমার ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে। তখন জুনায়েদের মায়ের সাথে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দিয়ে বলে যে, তর দেশে যেদিন দেশে আসবে তাকে হত্যা করে লাশ গুম করে ফেলবে তারা চলে যায়।

জানতে চাইলে জুনেদ আহমদ জুনায়েদের মাতা মোছাঃ সুমা বেগম বলেন, আমার নিরপরাধ ছেলে বর্তমানে দেশের বাহিরে রয়েছে। আমার ছেলে ছাত্রদল করিলেও সে কখনো কোন সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বা বেআইনি কাজের সহিত জড়িত ছিলো না। আমার ছেলেকে প্রতিহিংসামূলকভাবে আওয়ামী লীগের স্হানীয় নেতারা এক হয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও ছাত্র শিবিরের নেতাকর্মীরা হুমকি-ধামকি, হয়রানী ও হত্যা করার চেষ্টা চলছে। আমার পরিবারের সবাই চরম আতংকের মধ্যে দিনাতিপাত করিতেছি।

ঘটনার বিষয়ে জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ এর সাথে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি রিসিভ করেননি।