• ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সিলেটে সাংবাদিক তুরাব হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামি ১৮

admin
প্রকাশিত আগস্ট ২০, ২০২৪
সিলেটে সাংবাদিক তুরাব হত্যার ঘটনায় মামলা, আসামি ১৮

নিজস্ব প্রতিবেদক: কোটা সংস্কার আন্দোলনে সিলেটে ছাত্র-জনতার মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব।এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এছাড়াও অজ্ঞাত আসামী রাখা হয়েছে অন্তত ২০০ থেকে আড়াইশ’ জন।

মঙ্গলবার (২০ আগস্ট) সকাল ১১টায় সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় মামলাটি (নং ১৪/৩৬৯) দায়ের করেন নিহত সাংবাদিক এটিএম তুরাবের ভাই আবুল আহসান মো. আযরফ (জাবুর)।

মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। আদালত শুনানি শেষে মামলার এফআইআর দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মামলায় ২ নম্বর আসামি অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (ক্রাইম উত্তর) মো. সাদেক দস্তগীর কাউসার, ৩ নম্বর আসামি সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখ, ৪ নম্বর আসামি সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মিজানুর রহমান।

অপর আসামিরা হলেন- সিলেটের কোতোয়ালি মডেল থানার বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ কল্লোল গোস্বামী, থানার সদ্য সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঈন উদ্দিন, ওসি (তদন্ত) ফজলুর রহমান, থানার এসআই কাজি রিপন সরকার, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ও সিসিকের নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর আফতাব উদ্দিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি পিযূষ কান্তি দে, সিলেট সিটি করপোরেশনের পিআরও সাজলু লস্কর, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ও সিসিকের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রুহেল আহমদ, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক সজল দাস অনিক, নগরের চালিবন্দর নেহার মঞ্জিলের বাসিন্দা শিবলু আহমদ (মো. রুহুল আমিন), এসএমপির কনস্টেবল/২১৬৮ সেলিম মিয়া, সিলেট জেলা যুবলীগ নেতা ও বিয়ানীবাজারের তিলপাড়া ইউনিয়নের দেবারাই গ্রামের মো. আব্দুল লতিফের ছেলে আবুতাহের মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, কনস্টেবল/১৯৫৭ আজহার, কনস্টেবল/২২৫৫ ফিরোজ, ১৮ কনস্টেবল/১৬০৩ উজ্জ্বল।

তুরাবের ভাই মামলার বাদি জাবুর ও কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুনু মিয়া মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশের গুলিতে মারাত্মক আহত হন সাংবাদিক এটিএম তুরাব (আবু তাহের মো. তুরাব)। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় একটি বেসরকারি হাসপাতালে সেদিন রাতেই তিনি মৃত্যুবরণ করেন।