
স্টাফ রিপোর্টার : ২০১৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র সিলেটের গোলাপগঞ্জস্থ মেইন রোডে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা বিশাল শোডাউন করে। শোডাউন শেষে স্থানীয় বাজার পয়েন্টে বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা বিভিন্ন ধরণের বক্তব্য রাখছিলেন, ঠিক সেই মূহুর্ত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরাও সরকারের পক্ষে মিছিল বের করে মিছিলটি বিএনপির শোডাউন অতিক্রম করার সময় উভয় পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে বিএনপি ও ছাত্রদলের ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়। গত ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ সালে গোলাপগঞ্জ মেইন রোডে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন-ছাত্রদল নেতা রাহাদুল ইসলাম, ফাহিম চৌধুরী, জামিল আহমদ, নুর হোসেন, আব্দুল আজিজ মুন্না, যুবদল নেতা সালা উদ্দিন, স্বেচ্ছাসেবক দলনেতা সুমন আহমদ, বিএনপি কিবরিয়া আহমদ, সিদ্দিক আহমদ, রুমেল আহমদ। গুরুতর আহত ছাত্রদল নেতা রাহাদুল ইসলামকে সিলেট এমএজি ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
বিয়ানীবাজার থানার এসআই সোহেল রানার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে এসে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের সঙ্গে বিএনপি ও ছাত্রদলের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি এবং উভয় পক্ষকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করিয়ে পরিস্থিতি এখন আমাদের নিয়ন্ত্রনে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এঘটনার মামলা ও আহতের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আহত কারা হয়েছেন তিনি জানিন না তাবে থানায় কেউ অভিযোগ করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিয়ানীবাজার উপজেলা বিএনপির সভাপতি নাজমুল হোসেন পুতুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ১১ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আমাদের দলের একটি শান্তিপূর্ণ শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়। আমাদের শান্তিপূর্ন শোডাউনে বিনা উস্কানীতে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীরা অন্যায়ভাবে অতর্কিত হামলা চালিয়ে আমাদের অনেক নেতাকর্মীদের আহত করেছে। আমরা এঘটনা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের যারা হামলায় জড়িত তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।