
বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়ার কেন্দ্রীয় সভাপতি মনজুরুল করিম মহসিন বলেন, আশুরা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এ দিনে অসংখ্য তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা সংগঠিত হয়েছে। এ দিনে জলিলুল কদর আম্বিয়ায়ে কেরাম বিভিন্ন কষ্টদায়ক বিষয় থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন। নবীজি সা. এই দিনে রোজা রেখেছেন এবং সাহাবায়ে কেরামকে রোজা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন। এ দিনে রোজা রাখার দ্বারা পূর্বের এক বছরের গুনাহ মাফ হয়। আশুরা দিবসের তাৎপর্যপূর্ণ দিক হলো, এ দিনে আহলে বাইতের সদস্য হযরত হোসাইন রা. দ্বীনকে এ যমীনে বুলন্দ রাখার জন্য কারবালার ময়দানে আত্মত্যাগ করেছিলেন। তাঁর আত্মত্যাগের এ ধারাবাহিকতা যুগ যুগ ধরে চলে আসছে। আমাদের বুযুর্গানে কেরামের জীবন থেকে আমরা এর উদাহরণ পাই। তিনি আরও বলেন, তালামীযে ইসলামিয়া হযরত হুসাইন রা. এর চেতনার উত্তরসূরী। আমরা যতদিন বেঁচে থাকব, হযরত হুসাইন রা. এর প্রতি আমাদের মুহব্বত অটুট থাকবে এবং ইয়াযিদ ও তার উত্তরসূরীদের প্রতি আমাদের লানত ও ঘৃণা অব্যাহত থাকবে। এই সংগঠন হুসাইনী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দ্বীনের তরে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। হুসাইনী সৈনিক হিসেবে কারবালার ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে দ্বীনের কাজে যেকোনও ত্যাগের প্রয়োজন হলে আমাদের উচিত এর জন্য প্রস্তুত থাকা।
শুক্রবার (২৬ জুন) বাদ জুমআ নগরীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় বাংলাদেশ আনজুমানে তালামীযে ইসলামিয়া সিলেট মহানগর আয়োজিত ‘আশুরা ও কারবালার তাৎপর্য’ এবং সিলেট মহানগরীর সাবেক নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সিলেট মহানগর সভাপতি আরিফ হোসাইন সামাদ এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আনজুমানে আল ইসলাহর কেন্দ্রীয় প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ নজমুল হুদা খান, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মাওলানা মুফতি বেলাল আহমদ, অফিস সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মদ আতাউর রহমান, সংগঠনের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মাওলানা মাহবুবুর রহমান ফরহাদ, সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক লাবিবুর রহমান, কেন্দ্রীয় সহ-সাধারণ সম্পাদক মারুফ আহমদ, সিলেট পূর্ব জেলা সভাপতি হোসাইন আহমদ।
অনুষ্ঠানে সাবেক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন-সিলেট মহানগরীর সদ্য সাবেক সভাপতি হুসাইন আহমদ, সাবেক সভাপতি মাওলানা এনাম উদ্দিন, সাবেক সহ সভাপতি এম শামস উদ্দিন, আলী আহমদ চৌধুরী, আশিকুর রহমান। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, সংগঠনের সিলেট প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি জোন সাধারণ সম্পাদক মাহদি বিন আব্দুল আজিজ, সিলেট মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক তোফায়েল শাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক ময়নুল ইসলাম মুন্না, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান রাসেল, প্রচার সম্পাদক আব্দুল মুনতাছির খান, সহ প্রচার সম্পাদক নুরুল হাসান, এহসান আহমদ চৌধুরী, অর্থ সম্পাদক এস এম আলী আহমদ, অফিস সম্পাদক ইমদাদুর রহমান সিদ্দিকী, সহ অফিস সম্পাদক আবুল আহসান মো. ইয়াছিন, নাঈম আহমদ, প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. ইমদাদুল হক ইমন, সহ প্রশিক্ষণ সম্পাদক আলবাব হোসেন, ছালিম আহমদ আব্দুর রহমান, প্রমুখ।