
স্টাফ রিপোর্টার: সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ইলাশপুর ছালেহপুর গ্রামের সিদ্দিক আলীর ষোড়শী কন্যা ফাহিমা বেগম কে দুর্বৃত্তরা ধর্ষণের পর প্রাণে হত্যা করে বলে ফেঞ্চুগঞ্জ থানার পুলিশ বরাত দিয়ে আমাদের স্থানীয় প্রতিনিধি সংবাদ নিশ্চিত করেছেন।
হত্যাকান্ডের শিকার ষোড়শী ফাহিমা বেগম ফেঞ্চুগঞ্জ সরকারী কলেজের ডিগ্রী ৩য় বর্ষের ছাত্রী ছিল।
গত মঙ্গলবার প্রাইভেট কোচিং সেন্টার হইতে বাড়ী ফেরার পথে ভিকটিম কে র্দুবৃত্ত একই গ্রামের আব্দুল করিমের পুত্র মুকিত আহমদ সুমন (২৭), তোরাব আলীর পুত্র মোহাম্মদ আলী (২৭), রাজমান আলীর ২ পুত্র মাছুম আহমদ (৩০) ও মামুনুর রশীদ (২৭) এবং মোহাম্মদ মুছলিম উদ্দিনের পুত্র মেহেদী হাসান তোফায়েল (২৬) অপহরণ করিয়া অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে গিয়ে দিবাগত রাত পর্যায়ক্রমে পাশান্ডরা গণ ধর্ষন করে। পরবর্তীতে ভিকটিম কে শ্বাস রুদ্ধ করিয়া হত্যা করে। এদিকে ভিকটিমের লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে রাজমান আলীর বাড়ীর পুকুর পাড়ে নিয়ে লাশ মাটি চাপা দেওয়ার প্রাক্কালে প্রত্যক্ষদর্শী জনৈক মকবুল আলী দুর্বৃত্তদের কে দেখিতে পাইয়া শোর চিৎকার করিলে র্দুবৃত্তরা দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। তৎপর পুলিশ ঘটনাস্থলে আসিয়া ভিকটিমের লাশ ময়না তদন্তের জন্য এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। উক্ত ঘটনাটি কে কেন্দ্র করিয়া ধর্ষন ও হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের উর্দ্ধতন কর্মকর্তা মনিরুজ্জামান খাঁন (ও.সি) বলেন, পূর্ব শক্রতার জের ধরিয়া এরূপ ঘটনার উদ্ভব হইয়াছে। ভিকটিমের পিতা বাদী হইয়া স্থানীয় ফেঞ্চুগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। উক্ত মামলাটির তদন্ত কার্য্যক্রম চলমান। তদন্ত কার্য্য শেষে আসামীগণের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ সাজা নিশ্চিত করা হবে। উপরোক্ত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রহিয়াছে।